শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শিরোনামঃ
ভাষা শহীদ দিবসে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা ও ওষুধ পেল ঈশ্বরদীর সাড়ে তিন হাজার মানুষ সিলেটের গোয়াইনঘাট হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচন ঘিরে ঈশ্বরদীর রাজনীতির মাঠ এখন সরগরম  বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব পালিত  ভ্যালেন্টাইন স্পেশাল: প্রথমবার একসঙ্গে ভালোবাসা দিবস উদযাপন করবে রিজু-হারলি দম্পতি মানিকনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ভ্রমণ নিজের জন্য একটি বিনিয়োগ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে পাকশী রিসোর্টের মালিকানা দাবির অভিযোগ   শখের বসে ছাদ বাগান করে সফল উদ্যোক্তা ঈশ্বরদীর জান্নাতুল ফেরদৌস যুথি পাবনা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে দেওয়ান মজনুল হক সভাপতি-আহাদ বাবু সম্পাদক নির্বাচিত

১৭ মিনিটের মিটিং, দুই রুটের ট্রেনে আগুন দেওয়ার পরিকল্পনা বিএনপির

সাইদুর রহমান অনিক,বিশেষ প্রতিনিধি / ২৬৮ বার পঠিত
আপডেট : শনিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৪, ৩:১০ অপরাহ্ণ

বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন দেওয়ার আগে ১৭ মিনিটের একটি মিটিংয়ে অংশ নেন বিএনপি নেতারা। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক এনামের সভাপতিত্বে শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় ভার্চুয়ালি সেই মিটিং।

ওই মিটিংয়ে দুই রুটের ট্রেনে আগুন দেওয়ার পরিকল্পনা করেন বিএনপি নেতারা। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একজনকে দেওয়া হয় সেই দায়িত্ব। পরে শুক্রবার রাত ৯টা ৫ মিনিটে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুন দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় শনিবার (৬ জানুয়ারি) গ্রেপ্তার করা হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের সদস্য মোহাম্মদ মনসুর আলমকে। গ্রেপ্তারের পর ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

জিজ্ঞাসাবাদে কাজী মনসুর ডিবিকে জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি ভার্চুয়াল মিটিং করেন তারা। ওই মিটিংয়ে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার এনামুল হক এনাম, যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নসহ আরও অনেকে ছিলেন। প্রায় ১৭ মিনিট ধরে সেই মিটিং। যেখানে দুটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রথম সিদ্ধান্ত ভোট কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ করার জন্য, যেন ভোটাররা ভয়ে সেখানে না আসে।

আর দ্বিতীয় সিদ্ধান্ত হয় ট্রেনে আগুন দেওয়ার। এ সময় মিটিংয়ে যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়ন জিজ্ঞাসা করেন ট্রেনে আগুন দিতে পারবে কে। তখন মিটিংয়ে উপস্থিত একজন রাজি হয় ট্রেনে আগুন দেওয়ার বিষয়ে।

মনসুর পুলিশের কাছে দেওয়া জবানবন্দিতে আরও বলেন, মিটিংয়ে রবিউল ইসলাম বলেন— কিশোরগঞ্জ থেকে আসা কোনো ট্রেন ঢাকায় ঢোকার পর কিংবা নারায়ণগঞ্জ রুটের ট্রেনে আগুন দেওয়ার জন্য। তখন রবিউল ইসলাম মিটিংয়ে একজনকে দায়িত্ব দেয় ট্রেনে আগুন দেওয়ার জন্য।

শনিবার (৬ জানুয়ারি) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে আগুনের পরিকল্পনা হিসেবে বিএনপির হাইপ্রোফাইল নেতারা ভিডিও কনফারেন্স করেন। কনফারেন্সে প্রথমে আসেন মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার এনাম। এরপর আসেন সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়ন, যুগ্ম আহ্বায়ক এম এ গাফফার, ইকবাল হোসেন বাবলু, একজন দপ্তর সম্পাদক ও কাজী মনসুর।

‘তারা ভিডিও কনফারেন্সে এসে বৃহত্তর ময়মনসিংহ থেকে ঢাকাগামী ট্রেনে বিশেষ করে নরসিংদীর কাছে সুবিধাজনক স্থানে অগ্নিসংযোগ করার কথা বলেন। আরেকটি স্থানও তারা নির্ধারণ করেন। কমলাপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ লাইনের আপ-ডাউনে সুবিধাজনক স্থানে যাত্রীবাহী ট্রেনে আগুন লাগিয়ে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে মিডিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করার পরিকল্পনা করেন।’

প্রসঙ্গত, রাজধানীর গোপীবাগে বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ নবী উল্লাহ নবী ও যুবদল কাজী মনসুরসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ট্রেনের আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪ জন নিহত এবং ৮ জন দ্বগ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থাও ঝুঁকিমুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

এক ক্লিকে বিভাগের খবর
Bengali Bengali English English Russian Russian
error: Content is protected !!
Bengali Bengali English English Russian Russian
error: Content is protected !!